দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, খড়্গপুর, ৯ সেপ্টেম্বর: পুরভোটের আর মাত্র কয়েক মাস বাকি। তার আগেই তৃণমূল পরিচালিত খড়্গপুর পুরসভায় নাটকীয় পরিস্থিতি! পুরপ্রধান কল্যাণী ঘোষের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব জমা দিলেন তৃণমূলেরই ১৫ জন কাউন্সিলর। নেতৃত্বে রয়েছেন ঋতব্রত-তৃণমূলের জেলা সভাপতি তথা প্রাক্তন পুরপ্রধান প্রদীপ সরকার। বুধবার দুপুরে ১৪ জন কাউন্সিলরকে সঙ্গে নিয়ে ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রদীপ সরকার চেয়ারপার্সন কল্যাণী ঘোষ এবং পুরসভার এক্সিকিউটিভ অফিসার সুপ্রিয় বসুর হাতে অনাস্থা প্রস্তাব তুলে দেন। বিদ্রোহী কাউন্সিলরদের দাবি, দলীয়ভাবে নয়, কাউন্সিলর হিসেবে পুরবাসীর স্বার্থেই তাঁরা অনাস্থা এনেছেন। একইসঙ্গে বিরোধী কাউন্সিলরদেরও পাশে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা। যদিও বিজেপি, কংগ্রেস ও বাম কাউন্সিলররা এই ভোটাভুটি থেকে দূরে থাকার কথাই জানিয়েছেন। বিজেপির জেলা সহ-সভাপতি অভিষেক আগরওয়ালের দাবি, ‘এটি তৃণমূলের ঘরোয়া কোন্দল! এনিয়ে আমাদের কোন উৎসাহ নেই।’ কংগ্রেসের জেলা সভাপতি দেবাশিস ঘোষের কটাক্ষ, খড়্গপুরে পুর পরিষেবা স্তব্ধ, তার মধ্যেই চলছে এইসব ‘নাটক’।
৩৫ আসনের পুরসভায় তৃণমূলের ২৪ কাউন্সিলরের মধ্যে ১৫ জনই অনাস্থার পক্ষে। ফলে কল্যাণী ঘোষের পক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করা ‘কঠিন’ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। তাঁদের মতে, ঋতব্রত-তৃণমূলের জেলা সভাপতি প্রদীপ সরকারের নেতৃত্বে এই ‘অনাস্থা’ আনা হলেও, এর নেপথ্যে আছেন অন্য কেউ! তাঁরা মনে করিয়ে দিচ্ছেন, রাজ্যের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বেই ২০১৯ সালের বিধানসভা উপনির্বাচনে জয়ী হয়েছিলেন প্রদীপ সরকার। সেইসময় শুভেন্দুবাবুর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ-বৃত্তে ছিলেন প্রদীপ। ফের ঋতব্রত-তৃণমূলে যোগ দিয়ে পরোক্ষে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীরই আস্থাভাজন হতে চেয়েছেন প্রদীপ। অন্যদিকে, কল্যাণী ঘোষ আদি তৃণমূলেই রয়েছেন। খড়্গপুর সদরের বিধায়ক তথা রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষের সঙ্গে আবার প্রদীপ ও কল্যাণী দু’জনেরই সুসম্পর্ক রয়েছে। সম্প্রতি, এনসিপিআই সাংসদ জুন মালিয়াকে উন্নয়নের বিষয় নিয়ে ফোন করেছিলেন দিলীপবাবু। জেলার রাজনীতিতে প্রদীপ সরকার আবার জুন-অনুগামী হিসেবেই পরিচিত। সবমিলিয়ে ‘দুইয়ে দুইয়ে চার’ করছে জেলার রাজনৈতিক মহল! এদিন প্রদীপ সরকার বলেন, ‘পানীয় জল ও নিকাশি-সহ নাগরিক পরিষেবা দিতে ব্যর্থ পুরপ্রধান কল্যাণী ঘোষ।’ উন্নয়নের লক্ষ্যে মেদিনীপুরের সাংসদ জুন মালিয়া এবং খড়্গপুরের বিধায়ক তথা মন্ত্রী দিলীপ ঘোষের পরামর্শ নিয়ে তাঁরা কাজ করতে চান বলেও জানিয়েছেন প্রদীপ। কল্যাণী ঘোষ বলেন, ‘সাত দিনের মধ্যে মিটিং ডাকব। সংখ্যাগরিষ্ঠ কাউন্সিলররা যা চাইবেন, তাই হবে।’ এই অনাস্থা-নাটকের জল শেষ অবধি কোথায় গড়ায়, সেদিকেই তাকিয়ে আছেন খড়্গপুর শহরবাসী।
দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, খড়্গপুর, ১৩ আগস্ট: মাত্র দু’সপ্তাহের ব্যবধানে ফের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনা খড়্গপুর…
দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, পশ্চিম মেদিনীপুর, ১৩ আগস্ট: মঙ্গলবার কেশপুরের মোহবনীতে এসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।…
দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, পশ্চিম মেদিনীপুর, ১১ আগস্ট: জমি-দুর্নীতি মামলার তদন্তে পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনীতে সিআইডি…
দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, পশ্চিম মেদিনীপুর, ৬ আগস্ট: মেদিনীপুর পুর এলাকায় প্রায় এক হাজার বিল্ডিং…
দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, পশ্চিম মেদিনীপুর, ৫ আগস্ট: বিকেল সাড়ে চারটা নাগাদ পশ্চিম মেদিনীপুরের বাসিন্দাদের…
দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, পশ্চিম মেদিনীপুর, ৪ আগস্ট: প্রভাবশালীদের মধুচক্রে ডেকে বিশেষ মুহূর্তের 'ভিডিও' গোপনে…