Madhyamik Result

Madhyamik: মাধ্যমিকে তৃতীয় মেদিনীপুর শহরের সৌর, চিকিৎসা বিজ্ঞানের উপর গবেষণা করতে চায় নরেন্দ্রপুরের ছাত্র

দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, পশ্চিম মেদিনীপুর, ৮ মে: মাধ্যমিকে তৃতীয় স্থান অধিকার করলেন ‘মেদিনীপুর শহরের গর্ব’ সৌর জানা। সৌর নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের ছাত্র। বাড়ি মেদিনীপুর শহরের বেড় বল্লভপুর (নগারচক) এলাকায়। বাবা সুভাষ জানা পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনী ব্লকের কলাইমুড়ি নেতাজী সুভাষ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। মা অন্তরা বসু জানা গোয়ালতোড় গার্লস হাইস্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা। মাধ্যমিকে ৭০০-র মধ্যে ৬৯৫ নম্বর পেয়েছেন সৌর। বাংলায় ৯৭, ইংরেজিতে ৯৮ ছাড়া বাকি সব বিষয়েই ১০০-তে ১০০ পেয়েছেন নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের এই মেধাবী ছাত্র।

বাবা-মা’র সাথে সৌর জানা:

সৌর জানা:

শুক্রবার ফোনের ওপ্রান্ত থেকে সৌর বললেন, ‘ডাক্তার হতে চাই। আপাতত নিটে ভাল ফল করাই লক্ষ্য।’ তবে, শুধু ডাক্তার হওয়া নয়, চিকিৎসা বিজ্ঞানের উপর গবেষণা করে নতুন কিছু উদ্ভাবন বা আবিষ্কার করতে চান সৌর। পড়াশোনা ছাড়াও গান, আবৃত্তি ও অঙ্কনেও পটু সৌর। তাঁর বাবা সুভাষবাবু শুধু একজন শিক্ষকই নন। মেদিনীপুর শহরের স্বনামধন্য সমাজকর্মীও। তিনি বলেন, ‘সাধারণ মানুষের জন্য জীবনদায়ী কোন বিষয় নিয়ে ছেলে গবেষণা করুক, এটাই চাইব।’ মা অন্তরা দেবী বলেন, ‘পঞ্চম শ্রেণী থেকেই নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনে পড়ছে সৌর। পড়াশোনায় মনোযোগী। তবে, স্কুলের অবদান অনস্বীকার্য। নিছক ডাক্তার হওয়া নয়, চিকিৎসা শাস্ত্রের কোন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে গবেষণা করার ইচ্ছে আছে ওর।’

নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের কৃতি ছাত্রদের তালিকায় মেদিনীপুর শহরের দুই:

এছাড়াও, শুক্রবার প্রকাশিত মাধ্যমিকের মেধাতালিকায় পশ্চিম মেদিনীপুরের ৩ জন পড়ুয়া জায়গা করে নিয়েছেন। দাসপুরের সুরতপুর শ্রী অরবিন্দ শতবার্ষিকী বিদ্যামন্দিরের শঙ্খদীপ মান্না ৬৯২ নম্বর পেয়ে ষষ্ঠ স্থান অধিকার করেছেন। শঙ্খদীপ বলেন, ভালো পরীক্ষা হয়েছিল। আশা ছিল, প্রথম দশে থাকতে পারি। পড়াশোনা ছাড়াও ক্রিকেট খেলতে ভালোবাসেন শঙ্খদীপ। মেদিনীপুর শহরের যমুনাবালী এলাকার সারদা বিদ্যমন্দির হাইস্কুলের ছাত্রী সাত্ত্বিকা চক্রবর্তী ৬৮৯ পেয়ে নবম স্থান অধিকার করেছেন। সাত্ত্বিকার বাড়ি মেদিনীপুর শহরের ধর্মা এলাকায়। ওই একই স্কুলের ছাত্রী ঐশী খামরই ৬৮৮ নম্বর পেয়ে দশম স্থান অধিকার করেছেন। ঐশীর বাড়ি শালবনীর চৈতা এলাকায়। দু’জনকেই শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মেদিনীপুরের নব-নির্বাচিত বিধায়ক ড. শঙ্কর গুছাইত। শঙ্করবাবুর ছেলে শুভ্রনীল গুছাইতও ভালো ফল করেছেন মাধ্যমিকে। সারদা বিদ্যমন্দির হাইস্কুল থেকেই ৬৬৬ নম্বর পেয়েছেন শুভ্রনীল। এছাড়াও, মেদিনীপুর শহরের রবীন্দ্রনগরের বাসিন্দা ঐশিক চক্রবর্তী ৬৮৯ নম্বর পেয়ে মাধ্যমিকে নবম স্থান অধিকার করেছেন। ঐশিক অবশ্য নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের ছাত্র। তাঁর মা পলি পাহাড়ি পশ্চিম মেদিনীপুরের নাড়াজোল অমরেন্দ্রলাল খাঁন বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা। পড়াশোনা ছাড়াও খেলাধুলা ও সংস্কৃতি চর্চাতেও পটু ঐশিক।

বাবা-মা’র সাথে ঐশিক:

মেদিনীপুরের বিধায়ক শঙ্কর গুছাইতের সঙ্গে তাঁর ছেলে:

News Desk

Recent Posts

IIT Kharagpur: আইআইটি খড়্গপুরের মেধাবী ছাত্রের রহস্য-মৃত্যু! ২০ মাসে হারিয়ে গেল ১০টি উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ

দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, খড়্গপুর, ১৩ আগস্ট: মাত্র দু’সপ্তাহের ব্যবধানে ফের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনা খড়্গপুর…

2 weeks ago

Medinipur: পিংলার দাপুটে তৃণমূল নেতা শেখ সবেরাতি এবং কেশপুরের যুব নেতা আসিফ ইকবাল গ্রেপ্তার, মুখ্যমন্ত্রীর সফরের পরই অ্যাকশন শুরু পুলিশের

দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, পশ্চিম মেদিনীপুর, ১৩ আগস্ট: মঙ্গলবার কেশপুরের মোহবনীতে এসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।…

2 weeks ago

Midnapore: জমি-জালিয়াতির তদন্তে শালবনীতে সিআইডি আধিকারিকরা, সুমিতের বিরুদ্ধে আরও ‘তথ্য’ পেতে সুজয়কে জেরা?

দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, পশ্চিম মেদিনীপুর, ১১ আগস্ট: জমি-দুর্নীতি মামলার তদন্তে পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনীতে সিআইডি…

2 weeks ago

Midnapore: মেদিনীপুর পুরসভায় কয়েকশ কোটি টাকার দুর্নীতি? প্রায় এক হাজার বিল্ডিং প্ল্যানের অবৈধ অনুমোদনে মামলা দায়ের

দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, পশ্চিম মেদিনীপুর, ৬ আগস্ট: মেদিনীপুর পুর এলাকায় প্রায় এক হাজার বিল্ডিং…

3 weeks ago

Medinipur: মোবাইলে এসেছিল ‘হাই এলার্ট’ মেসেজ, আশঙ্কা সত্যি করেই পশ্চিম মেদিনীপুরে বাজে মৃত্যু ৪ জনের

দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, পশ্চিম মেদিনীপুর, ৫ আগস্ট: বিকেল সাড়ে চারটা নাগাদ পশ্চিম মেদিনীপুরের বাসিন্দাদের…

3 weeks ago

Kharagpur: মধুচক্রে জড়িয়ে প্রভাবশালীদের ব্ল্যাকমেল, খড়্গপুরে হানি-ট্র্যাপের বড়সড় পর্দা ফাঁস পুলিশের

দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, পশ্চিম মেদিনীপুর, ৪ আগস্ট: প্রভাবশালীদের মধুচক্রে ডেকে বিশেষ মুহূর্তের 'ভিডিও' গোপনে…

3 weeks ago