দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, পশ্চিম মেদিনীপুর, ২৪ সেপ্টেম্বর: নৃশংস-নিষ্ঠুরতম ঘটনা! একরত্তি শিশু কন্যা স্বচক্ষে প্রত্যক্ষ করলো সেই ঘটনা। মা-কে শ্বাসরোধ করে খুন করছেন বাবা! সারা রাত ধরে ডুকরে ডুকরে কেঁদে ওঠা মেয়ে মা- এর মৃতদেহ আগলে বসে থাকে। ভোরবেলা তার কান্নার আওয়াজেই প্রতিবেশীরা গিয়ে দেখেন মায়ের মৃতদেহের পাশে বসে আছে ছোট্ট মেয়েটি! ঘটনাটি, পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার দাঁতন থানার পানিতুনিয়া গ্রামের। মৃতার নাম পূজা দাস। তাঁর স্বামী অভিযুক্ত সুরজ দাস ঘটনার পরই পলাতক। দাঁতন থানার পুলিশ বৃহস্পতিবার গ্রেফতার করেছে সুরজের বাবা অর্থাৎ মৃতার শ্বশুর উদয় দাস-কে। তাকে শুক্রবার আদালতে তোলা হবে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাতে দাঁতনের পানিতুনিয়া গ্রামের যুবক সুরজ দাস ও তাঁর স্ত্রী পূজা দাসের মধ্যে অশান্তি হয়! সেই সময়ই নিজের স্ত্রী-কে শ্বাসরোধ করে খুন করে সুরজ। এই নৃশংস-পৈশাচিক ঘটনার সাক্ষী থাকে তাদের ৫ বছরের শিশুকন্যা মমতা দাস! সারা রাত সে কাঁদতে থাকে বলে জানিয়েছেন প্রতিবেশীরা। সকালে তার কান্নার আওয়াজেই তাদের বাড়িতে পৌঁছয় প্রতিবেশীরা। ততক্ষণে পালিয়ে গেছে সুরজ! এরপরই, পুলিশ-কে খবর দেওয়া হলে দাঁতন থানার পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর ব্যবস্থা করে। ৫ বছরের শিশুকন্যা কাঁদতে কাঁদতেই পুলিশ-কে সব জানায়। ততক্ষণে বছর ৩০ এর পূজার বাপের বাড়ির লোকও পৌঁছে যান থানায়। পুজার বাবা লিখিত অভিযোগও দায়ের করেন সুরজ ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে। অভিযোগের ভিত্তিতে সুরজের বাবা উদয় দাস-কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাকে আজ, শুক্রবার আদালতে তোলা হবে বলে জানা গেছে। সুরজের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।
দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, পশ্চিম মেদিনীপুর, ১০ অক্টোবর: চেয়ারম্যান নির্বাচনের আগেই খড়্গপুর পুরসভায় পৌঁছল রাজ্য…
দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, পশ্চিম মেদিনীপুর, ৯ অক্টোবর: দুষ্কৃতীদের গুলিতে নয়, বন্ধুর বাড়িতে রাখা লাইসেন্সবিহীন…
দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, পশ্চিম মেদিনীপুর, ৭ অক্টোবর: পুজোর মুখে ফের গুলির শব্দে কেঁপে উঠল…
দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, পশ্চিম মেদিনীপুর, ২৫ সেপ্টেম্বর: শুক্রবার ভোরে খড়্গপুর গ্রামীণের মাদপুরের বাড়ি থেকে…
দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, পশ্চিম মেদিনীপুর, ২৪ সেপ্টেম্বর: আশা জাগিয়েও এশিয়াডে পদক অধরাই থাকল ভারতীয়…
দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, পশ্চিম মেদিনীপুর, ১৬ সেপ্টেম্বর: ব্লাড ব্যাঙ্কগুলিতে রক্তের জন্য হাহাকার। কোথাও আবার…