তনুপ ঘোষ, পশ্চিম মেদিনীপুর, ১৪ জুন: মঙ্গলবার ভরদুপুরে কুমির আতঙ্ক পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটাল থানার রঞ্জপুর গ্রামে! দুপুর বেলা হঠাৎ-ই তাঁর বাড়িতে থাকা কালি মন্দিরের ভেতর কুমিরের মতো বিশালাকৃতির একটি বিরল প্রজাতির জন্তু দেখা যায়! আতঙ্কিত হয়ে পড়েন পরিবারের লোকজন। একে একে ভিড় জমান গ্রামবাসীরা। তারপর-ই বনদপ্তরে খবর দেওয়া হয়। বনদপ্তরের কর্মীরা এসে প্রায় ৭-৮ ফুট লম্বা ও ১০ কেজি ওজনের জন্তুটিকে উদ্ধার করে নিয়ে যায় এবং পরিবেশ বান্ধব এই নিরীহ জলজ প্রাণীটিকে জলাশয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।
এদিন, দুপুরে বনদপ্তরের কর্মী মলয় ঘোষ রঞ্জপুরে পৌঁছে দেখেন, প্রায় ৭-৮ ফুট লম্বা একটি বিশালাকৃতির সরীসৃপ! দেখতে ছোটখাটো কুমিরের মতোই। তবে, তিনি বুঝতে পারেন, এটি আসলে কুমির নয়, জলজ গোসাপ বা ইন্ডিয়ান ওয়াটার মনিটর লিজার্ড (Indian Water Monitor Lizard)। অনেকেই এটিকে গাগরোল বা গগরোল বলেও চেনেন। পরিবেশবান্ধব এই প্রাণীটি বা জলাশয়ের গোসাপ-টি অত্যন্ত শান্ত প্রাণী হিসেবেই পরিচিত। জল কিংবা জলা জায়গাতে এর বাস। মশার লারভা এবং বিষধর সাপের বাচ্চা খেয়ে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে এই প্রাণী। সাধারণত মানুষের ক্ষতি করে না। তবে, খুব রেগে না গেলে মানুষের ক্ষতি করতে পারে। এমনটাই জানিয়েছেন বনদপ্তরের কর্মী মলয় ঘোষ। তিনি এও জানান, সাধারণত ৪-৫ ফুট দৈর্ঘ্যের এবং ৫-৬ কেজি ওজনের হলেও, এর পেটে বাচ্চা থাকার কারণে এই গোসাপ-টি বৃহদাকৃতির এবং বেশি ওজনের ছিল। তিনি এটিকে খুব সাবধানে উদ্ধার করে নিয়ে আসেন এবং চন্দ্রকোনার বায়ো ডাইভারসিটি পার্কের (Bio Diversity Park) একটি বড় জলাশয়ে ছেড়ে দেন।
দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, পশ্চিম মেদিনীপুর, ১০ অক্টোবর: চেয়ারম্যান নির্বাচনের আগেই খড়্গপুর পুরসভায় পৌঁছল রাজ্য…
দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, পশ্চিম মেদিনীপুর, ৯ অক্টোবর: দুষ্কৃতীদের গুলিতে নয়, বন্ধুর বাড়িতে রাখা লাইসেন্সবিহীন…
দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, পশ্চিম মেদিনীপুর, ৭ অক্টোবর: পুজোর মুখে ফের গুলির শব্দে কেঁপে উঠল…
দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, পশ্চিম মেদিনীপুর, ২৫ সেপ্টেম্বর: শুক্রবার ভোরে খড়্গপুর গ্রামীণের মাদপুরের বাড়ি থেকে…
দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, পশ্চিম মেদিনীপুর, ২৪ সেপ্টেম্বর: আশা জাগিয়েও এশিয়াডে পদক অধরাই থাকল ভারতীয়…
দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, পশ্চিম মেদিনীপুর, ১৬ সেপ্টেম্বর: ব্লাড ব্যাঙ্কগুলিতে রক্তের জন্য হাহাকার। কোথাও আবার…