দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, পশ্চিম মেদিনীপুর, ১৯ অক্টোবর: হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত হলেন মেদিনীপুর শহর তথা জেলার প্রবীণ ও স্বনামধন্য সাংবাদিক তারাশঙ্কর চক্রবর্তী। রবিবার (১৮ অক্টোবর) সকালে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। প্রায় সপ্তাহ দুয়েক ধরে তিনি অসুস্থ ছিলেন। অসুস্থতা উপেক্ষা করেও ৮ অক্টোবর পর্যন্ত পত্রিকা প্রকাশ করেছেন। পরে অসুস্থতা বৃদ্ধি পেলে তাঁকে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে সফল অস্ত্রোপচারের মধ্য দিয়ে তাঁর বুকে একটি স্টেন্ট বসানো হয়। রবিবারই তাঁর বাড়ি ফেরার কথা ছিল। তার আগেই চির ঘুমের দেশে পাড়ি দেন ক্রীড়া ও সংবাদ জগতের এই সুপরিচিত ও সুপ্রতিষ্ঠিত ব্যক্তিত্ব। তাঁর প্রয়াণে শোকস্তব্ধ অবিভক্ত মেদিনীপুরের সংবাদ জগত।

thebengalpost.net
প্রয়াত তারাশঙ্কর চক্রবর্তী:

রবিবার বিকেলে মেদিনীপুর শহরের পদ্মাবতী শ্মশানে শেষকৃত্য সম্পন্ন হয় তারাশঙ্করবাবুর। উপস্থিত ছিলেন পরিবার, পরিজন, সংবাদমাধ্যমের কর্মীরা সহ মেদিনীপুরের বিধায়ক শঙ্কর গুছাইত, মেদিনীপুর পুরসভার চেয়ারম্যান সৌমেন খান প্রমুখ। বিধায়ক বলেন, প্রায় চার দশকের বেশি সময় ধরে ‘বিপ্লবী মেদিনীপুর টাইমস’ দৈনিকের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে গিয়েছেন তারাশঙ্করবাবু তথা আমাদের প্রিয় তারা দা। সৌমেন বাবু বলেন, প্রতিবাদী ও পরিশ্রমী মানুষ ছিলেন। মেদিনীপুরের শিক্ষক ও সমাজকর্মী সুদীপ কুমার খাঁড়া, অমিত সাহু প্রমুখ বলেন, গত চল্লিশ বছর ধরে বিপ্লবী মেদিনীপুর টাইমসের মেধা পুরস্কার অনুষ্ঠানের মাধ্যমে জেলার হাজার হাজার দুঃস্থ ও মেধাবী পড়ুয়াদের সাহায্য করে গিয়েছেন তারা দা। শিক্ষক, সাংবাদিক ও সঞ্চালক অখিলবন্ধু মহাপাত্র বলেন, তারা দা এবং তাঁর পত্রিকার হাত ধরে অবিভক্ত মেদিনীপুরের অসংখ্য সাংবাদিকদের উত্থান ও প্রতিষ্ঠা। তাঁর কৃতিত্ব ও অবদান ভোলার নয়।