দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, পশ্চিম মেদিনীপুর, ১৭ ফেব্রুয়ারি: একেই বলে ‘দেনে ওয়ালা যভবি দেতা, দেতা ছপ্পর ফড়কে !’ ভগবান যখন দেন, দু’হাত ভরিয়েই দেন। ৩-৪ বছর ধরে স্বামী-স্ত্রী প্রায় প্রতিদিনই লটারি কাটতেন। কোনোদিনই কপালে বড় পুরস্কার জোটেনি! ছোটোখাটো (২-১ হাজার) অবশ্য প্রায়ই লাগতো। তাই, এবার যখন লটারি দোকানের মালিক ফোন করে বছর ৩০’র গৃহবধূ মায়া কাচারিকে বলেন, “ভাবিজি আপনে ১ ক্রোড় জিতা (বৌদি আপনি ১কোটি জিতেছেন)”; প্রথমটায় বিশ্বাসই করতে পারেননি মায়া! তারপর, দ্বিতীয়বার ফোন করে নিশ্চিত হন। আর, নিশ্চিত হওয়ার পরই ভয়ে ‘লটারি’ হাতে নিয়ে সোজা থানায় চলে আসেন, স্বামীর সাথে। বৃহস্পতিবার বিকেল নাগাদ ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার খড়্গপুর লোকাল থানার গোপালী (সালুয়া সংলগ্ন) এলাকায়।
জানা যায়, মায়া’র স্বামী সুমন কাচারি পেশায় টোটো চালক। মায়া গৃহবধূ। স্বামীর সঙ্গে গত ৩-৪ বছর ধরে মায়াও লটারি কাটা শুরু করে। গোপালী এলাকাতেই একটি দোকান থেকে দু’জনে লটারি কাটতেন। খড়্গপুর গ্রামীণ থানায় দাঁড়িয়ে মায়া জানান, “আমিও লটারি কাটতাম প্রতিদিন। কোনো দিন বড় পুরস্কার পাইনি। তবে, ৩-৪ বছর আগে ও (স্বামী) একবার ২ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা পেয়েছিল। তার পর থেকে আমরা দু’জনই বড় কিছু পাইনি। এবার একেবারে ১ কোটি! বিশ্বাসই হচ্ছে না।” এখনও যেন ঘোরের মধ্যে আছেন কাচারি দম্পতি। বৃহস্পতিবার বিকেলে এই খবর পাওয়ার পরই ভয়ে তাঁরা খড়্গপুর লোকাল থানায় চলে আসেন। কি করবেন এত টাকা দিয়ে? মায়া জানান, “এখনও ঠিক করে উঠতে পারিনি!”
দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, পশ্চিম মেদিনীপুর, ১০ অক্টোবর: চেয়ারম্যান নির্বাচনের আগেই খড়্গপুর পুরসভায় পৌঁছল রাজ্য…
দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, পশ্চিম মেদিনীপুর, ৯ অক্টোবর: দুষ্কৃতীদের গুলিতে নয়, বন্ধুর বাড়িতে রাখা লাইসেন্সবিহীন…
দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, পশ্চিম মেদিনীপুর, ৭ অক্টোবর: পুজোর মুখে ফের গুলির শব্দে কেঁপে উঠল…
দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, পশ্চিম মেদিনীপুর, ২৫ সেপ্টেম্বর: শুক্রবার ভোরে খড়্গপুর গ্রামীণের মাদপুরের বাড়ি থেকে…
দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, পশ্চিম মেদিনীপুর, ২৪ সেপ্টেম্বর: আশা জাগিয়েও এশিয়াডে পদক অধরাই থাকল ভারতীয়…
দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, পশ্চিম মেদিনীপুর, ১৬ সেপ্টেম্বর: ব্লাড ব্যাঙ্কগুলিতে রক্তের জন্য হাহাকার। কোথাও আবার…