দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, পশ্চিম মেদিনীপুর, ২৬ নভেম্বর: সামনেই লোকসভা নির্বাচন। তার আগে দলে মমতা-অভিষেক বা প্রবীণ-নবীন ‘দ্বন্দ্ব’ নিয়ে নানা জল্পনা ছড়াচ্ছে দলের অন্দরেই। আর এ সবের মধ্যেই পশ্চিম মেদিনীপুরের মেদিনীপুর সাংগঠনিক জেলা তৃণমূলের ‘নবীন’ প্রজন্মের দুই ‘জনপ্রিয়’ নেতা (বা, নেত্রী) বিধায়ক জুন মালিয়া ও জেলা সভাপতি সুজয় হাজরা-র সম্পর্ক ক্রমেই ‘শীতল’ থেকে ‘উষ্ণ’ হওয়ার পথে! পরস্পরের ‘মুখ-দেখাদেখি’ বন্ধ থেকে পরস্পরের ‘কাছাকাছি’। তবে কি নভেম্বরের ‘শীতে’ নিছকই দলীয় ‘নির্দেশ’-কে প্রাধান্য দেওয়া, নাকি ‘লোকসভা বড় বালাই’…? রবিবার মেদিনীপুর শহরের নান্নুরচকে জেলা তৃণমূলের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত জেলা কমিটির রুটিন-মিটিংয়ে দু’জনকে আবারও ‘কাছাকাছি’ এবং ‘হাসিমুখে’ দেখে সেই জল্পনাই আরও তীব্র হল!
এদিনের বৈঠকে জেলা সভাপতি সুজয় হাজরা, চেয়ারম্যান দীনেন রায় ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী শ্রীকান্ত মাহাত, মেদিনীপুরের বিধায়ক জুন মালিয়া, কেশিয়াড়ির বিধায়ক পরেশ মুর্মু, জেলা সভাধিপতি প্রতিভা মাইতি, পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ নির্মল ঘোষ, রাজ্য সম্পাদক প্রদ্যোৎ ঘোষ প্রমুখ। যদিও অনুপস্থিত ছিলেন গড়বেতার বিধায়ক উত্তরা সিংহ হাজরা, দাঁতনের বিধায়ক বিক্রম চন্দ্র প্রধান এবং নারায়ণগড়ের বিধায়ক সূর্যকান্ত অট্ট। তবে, লোকসভা নির্বাচনের আগে জুন ও সুজয়-কে এদিন বেশ কাছাকাছিই (বা, পাশাপাশি) দেখা গেল! তবে কি তাঁদের ‘শীতল’ সম্পর্ক ক্রমেই ‘উষ্ণ’ হচ্ছে? এনিয়ে, দু’জনই অবশ্য ‘বিতর্কিত মন্তব্য’ এড়িয়ে গিয়েছেন। তাঁরা জানিয়েছেন, দলের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক ছিল। লোকসভা নির্বাচনের আগে, দল যাতে আরো শক্তিশালী হয়, সেটাই সকলের উদ্দেশ্য। যদিও, মুখ্যমন্ত্রী তথা দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘দ্বন্দ্ব’ মেটানোর নির্দেশ এবং অভিষেক-সৌজন্যে দলে সুজয়ের ‘গুরুত্ব’ বাড়ার পর থেকে একাধিক দলীয় কর্মসূচিতে জুন ও সুজয়কে কাছাকাছি দেখা গেছে। পরস্পরের প্রতি ‘সৌজন্য’ও ধরা পড়েছে দু’জনের বক্তব্যে।
তবে, দলীয় বিভিন্ন সূত্র এবং পরামর্শদাতা এজেন্সি-র কিছু সূত্রে জানা গেছে, বিষয়টা এতোটাও ‘সহজ’ নয়! এর পেছনে নাকি লোকসভা নির্বাচনের ‘বড়-অঙ্ক’ কাজ করছে। বিভিন্ন বিশ্বস্ত সূত্র জানাচ্ছে, মেদিনীপুর লোকসভা আসনে বিজেপি-র দিলীপ ঘোষের বিরুদ্ধে তৃণমূলের যে ক’জন প্রার্থী হওয়ার দৌড়ে আছেন, তাঁদের মধ্যে নাকি অন্যতম মেদনীপুরের বিধায়ক জুন মালিয়া এবং তৃণমূলের জেলা সভাপতি সুজয় হাজরা। আর দু’জনই নাকি বুঝে গেছেন, পরস্পরের ‘সহযোগিতা’ ছাড়া এই আসনে জেতা ‘সহজ’ হবেনা। যদিও, তৃণমূলের অন্য একটি সূত্র বলছে, হয়তো দু’জনের কেউই প্রার্থী হবেন না; তবে যিনি প্রার্থী হবেন তাঁকে জেতাতে দু’জনকেই ঐক্যবদ্ধ হয়ে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে নিজেদের ‘পদ’ (‘২৬-এ বিধায়কের প্রার্থী-পদ কিংবা ‘২৬ পর্যন্ত জেলা সভাপতির পদ) ভবিষ্যতেও ‘নিরাপদ’ রাখতে!
দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, খড়্গপুর, ১৩ আগস্ট: মাত্র দু’সপ্তাহের ব্যবধানে ফের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনা খড়্গপুর…
দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, পশ্চিম মেদিনীপুর, ১৩ আগস্ট: মঙ্গলবার কেশপুরের মোহবনীতে এসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।…
দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, পশ্চিম মেদিনীপুর, ১১ আগস্ট: জমি-দুর্নীতি মামলার তদন্তে পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনীতে সিআইডি…
দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, পশ্চিম মেদিনীপুর, ৬ আগস্ট: মেদিনীপুর পুর এলাকায় প্রায় এক হাজার বিল্ডিং…
দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, পশ্চিম মেদিনীপুর, ৫ আগস্ট: বিকেল সাড়ে চারটা নাগাদ পশ্চিম মেদিনীপুরের বাসিন্দাদের…
দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, পশ্চিম মেদিনীপুর, ৪ আগস্ট: প্রভাবশালীদের মধুচক্রে ডেকে বিশেষ মুহূর্তের 'ভিডিও' গোপনে…